ধর্মপাশায় স্কুুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধরের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ।

সোহান আহম্মেহঃ ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:57 PM, 21 October 2020

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী (১৫) কে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে ওই ছাত্রীটি নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে একই ইউনিয়নের খয়েরদিরচর গ্রামের পেছনের সড়কে ওই গ্রামের জজ মিয়ার বখাটে ছেলে মামুন মিয়া এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় সুবিচার চেয়ে আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে ওই ছাত্রীটির বাবা ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসির) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ধর্মপাশা থানা পুলিশ ও ছাত্রীটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রীটি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে ওই ছাত্রীটি স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া সহ নানা ভাবে উক্তক্ত্য করে আসছিল উপজেলার খয়েরদিরচর গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে বখাটে মাদকসেবী মামুন মিয়া (২০)। ওই ছাত্রীটি আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে নবম শ্রেণীর ফরম ফিলাপের কাজে নিজ বিদ্যালয়ে আসে। স্কুল সংক্রান্ত কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে সে উপজেলার খয়েরদিরচর গ্রামের পেছনের সড়কে পৌঁছলে ছাত্রীটিকে নানা ভাবে উক্তক্ত্য করতে শুরু করে বখাটে মাদকসেবী মামুন মিয়া। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীটির হাত ধরে সে টানা হেঁচড়া শুরু করলে ছাত্রীটি সজোরে চিৎকার করলে আশ পাশের লোকজন সেখানে এগিয়ে গেলে বখাটে মামুন সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই ছাত্রীটি কেঁদে কেঁদে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি তাঁর বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে জানায়। ওইদিন দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে খয়েরদিরচর গ্রামের সামনের সড়ক সংলগ্ন একটি দোকানে বখাটে মামুনকে দেখতে পেয়ে ছাত্রীটির বাবা বখাটে মামুনের কাছে গিয়ে তার মেয়ের সঙ্গে এমন অশুভ আচরণ করার বিষয়টি জানতে চান। এতে মাদকসেবী মামুন উত্তেজিত হয়ে ওই ছাত্রীটির বাবাকে মারধর করার জন্য তেড়ে আসলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ওই ছাত্রীটির বাবাকে রক্ষা করেন। এ ঘটনায় সুবিচার চেয়ে আজ বেলা আড়াইটার দিকে ছাত্রীটির বাবা থানার ওসির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

ধর্মপাশা থানার (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :