নরসিংদীর আলোকবালিতে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চায় ওয়ার্ড আ.লীগেগর সভাপতি মামুন ও তার পরিবার

কবির মাহমুদ(বার্তা বিভাগ)
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:08 AM, 19 October 2020

স্টাফ রিপোর্টার : নরসিংদীর সদর উপজেলার আলোকবালি ইউনিয় এর ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুন হাসান ও তার পরিবার এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে ও আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন। এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী সংগঠনে দাঁড় করিয়েছেন।
এদিকে একই এলাকার নাছির, পিতা রেজন মিয়া, বিএনপি নেতা রুবেল ও মোমেন গং এলাকায় দাঙ্গা হাঙ্গামা, টেটাযুদ্ধ লাগিয়ে এলাকায় লুটপাট ভাংচুর ও চাঁদাবাজি করে আসছে। এবং জামাত বিএনপির সাথে আতাত করে আাওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করছে। নাছির গং এর বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করলে, নাসিরের নির্দেশে বিএনপি নেতা রুবেল, মোমেন গং মামুনের বড় ভাই জুয়েলকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে চৌদ্দটি টেটাবৃদ্ধ করে। জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে। এব্যাপারে মামুন বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৩/২১৭। তাং : ২৬ মে ২০২০। এ মামলায় ৪ জন আটক হয়।
আটককৃতরা হলো, ১। আজি, ২। আলামীন, ৩। ফয়সাল, ৪। আমিরুল।
এ মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য নাছির গং গত ৯/৮/২০২০ ইং তারিখে মামুনের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন হুমকি দামকি দিয়ে আসেন। এব্যাপারে মামুন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে নরসিংদী মডেল থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং : ১২২০। তাং : ২৭/৮/২০২০ ইং। এতে নাছির ক্ষিপ্ত হয়ে মামুন হাসানসহ তার পরিবারের ৫ জনকে আসামী করে রায়পুরা থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় ঘটনা দেখানো হয়, নেকজামপুর কে কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মাণ কাজে বাধা ও চাঁদাদাবি। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা স্কুলটি মামুনের গ্রাম থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে দুটি নদী পার হয়ে যেতে হয়। মামুন ও তার পরিবার স্কুলটি চিনেও না। এবং স্কুলের ঠিকাদার মনির, ভাসানি ও আনোয়ার এর এব্যপারে কোন অভিযোগ করেনি।
এই চাঁদাবাজির মামলাটি নরসিংদী মডেল থানায় দায়ের করার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হয় নাছির গং। পরবর্তীতে উপজেলা পরিবর্তন করে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠলে নাছির গং এলাকাতে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য গত ৫/৯/২০২০ ইং তারিখে মামুনের বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এ বিষয়ে মামুন নরসিংদী মডেল থানাকে অবগত করলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এসআই মজিবর। ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত ককটেলের নমুনা ও তাজা ককটেল উদ্ধার করে জব্দ তালিকা করে নিয়ে আসেন। কিন্তু এ ঘটনায় কোন মামলা হয়নি।
এ ঘটনায় মামুন বাদী হয়ে নরসিংদী চিফ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৫৫৩। আদালত পিবিআইকে তদন্তবার দেন। কিন্তু পিবিআই জব্দ তালিকায় আলামত এসআই মজিবরকে দিতে অনুরোধ করলে সে বিভিন্ন তালবাহানা করে।
এ বিষয়ে গত ১৪ অক্টোবর মামুন হাসান নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন ভূঁইয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন সকাল ১০ টায়। আব্দুল মতিন ভূঁইয়ার নির্দেশে মামুনের মা মহারাণী, ভাই উজ্জ্বল, আলোকবালি ইউনিয়নের মেম্বার মতিন, শফিক কাজি, কালু ভূইয়া ও শাহ্ আলমকে সাথে নিয়ে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে নরসিংদী মডেল থানায় বেলা ২টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। যা থানার সিসি ক্যামেরা ফুটেজে আছে। এবং মাামুন হাসান তার ভাই জুয়েলের মামলার শুনানির জন্য বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আদালতে ছিলেন। যা আদালতের সিসি ক্যামেরায় আছে। কিন্তু ওইদিন আলোকবালি গ্রামে ১টা ৩০ মিনিটে একটি ছাগল নিয়ে বাবুল ও তার শ্বশুড় বাড়ির লোক জনের সাথে মারামারি হয়। বাবুল, শকত আলী ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। শকত আলীর ছেলে সিরাজ মিয়া বাড়িতে এসে বাবুলকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে বাবুল আহত হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাছির মামুন ও তার পরিবারের লোকজনকে আসামী করে নরসিংদী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু জগাড়র সময় মামুন ও তার পরিবারের লোকজন নরসিংদী মডেল থানায় ও কোর্টে ছিলেন। যা সিসি ক্যামেরায় আছে।
এব্যাপারে আলোকবালি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুন হাসান জানান, একই এলাকার নাছির (ওরফে টোন্ডা নাছির) জামাত বিএনপির সাথে মিলে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য এলাকায় টেটাযুদ্ধ, মারামারি, লুটপাট ও ভাংচুর চালায়। এবং আওয়ামী লীগের লোকজনকে মারপিট ও হুমকি দামকি দেয়। এবং আওয়ামী লীগের পরিবারের বিকরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।
এসকল মিথ্যা মামলা ও নাছির গং দের হাত থেকে বাঁচতে মামুন হাসান গত ১৮/১০/২০২০ ইং তারিখে নরসিংদী পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেন।
এব্যাপারে নাছিরের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন :